এখন সময় :
,
PopularITLtd.com
মেনু |||

হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে কপাল পুড়লো ইমরুল কায়েসের

Share Button

স্পোর্টস ডেস্ক : কথায় বলে ‘কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ’- পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঠিক এমনটাই হলো ইমরুল কায়েস আর নাজমুল হোসেন শান্তর মধ্যে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে কপাল পুড়লো ইমরুল কায়েসের। আর এ সুবাদে ভাগ্য খুলে গেছে আরেক বাঁহাতি নাজমুল হোসেন শান্তর। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানগামী টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা হয়নি ইমরুল কায়েসের।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এ মুহূর্তে (পাকিস্তান সফরের) বাংলাদেশ দলে অভিজ্ঞ পারফরমার বিশেষ করে ব্যাটসম্যানের খুব অভাব। মিডল অর্ডারে সাকিব-মুশফিক না থাকায় একটা বড় ধরনের শূন্যতা দেখা দিয়েছে। অভিজ্ঞ ও পরিণত ব্যাটসম্যান বলতে শুধু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এছাড়া একজন অভিজ্ঞ ও পরিণত ব্যাটসম্যানও নেই।

সেই ঘাটতি ও দুর্বলতা কাটাতে পাকিস্তান সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাঁহাতি ইমরুল কায়েসকে মিডল অর্ডারে বিশেষ বিবেচনায় আনা হয়েছিল। কিন্তু তাকে দলে নেয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি এবং শেষপর্যন্ত ঐ হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণেই টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা হলো না ইমরুলের।

আজ (শনিবার) দুপুরে পাকিস্তান সফরের স্কোয়াড ঘোষণার পর দলের গঠন বিন্যাস ও ক্রিকেটার নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বললেন, ইমরুলই ছিলেন তাদের প্রথম পছন্দ। কিন্তু তিনি তো শতভাগ ফিট নন। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে ভুগছেন। তাই তাকে নেয়া সম্ভব হয়নি।

নান্নুর কথা, ‘সাকিব তো এমনিই নেই। এ সফরে মুশফিককেও পাওয়া যাবে না। মিডল অর্ডারে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের অভাব। তাই ঐ জায়গায় ইমরুল কায়েসই ছিলো আমাদের ‘ফার্স্ট চয়েজ’। কিন্তু তার তো হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি। তাই তাকে নেয়া সম্ভব হয়নি। সে কারণেই আমরা নাজমুল হোসেন শান্তকে বিশেষ বিবেচনায় এনেছি।’

তবে প্রধান নির্বাচকের কথা শুনে মনে হলো ইমরুল পুরোপুরি সুস্থ থাকলেও, মোহাম্মদ মিঠুনকে ঠিকই দলে নেয়া হতো। তখন আবার নাজমুল হোসেন শান্তর জায়গা হতো না এবং প্রধান নির্বাচকের কথায় পরিস্কার ইমরুলকে না পেয়েই তারা শেষমুহূর্তে নাজমুল হোসেন শান্তকে বেছে নিয়েছেন।

বলার অপেক্ষা রাখে না, মাঝে অফফর্মের কারণে সমালোচিত হলেও এবারের বিপিএলে ইমরুল কায়েস দুর্দান্ত পারফরম করেছেন। বিপিএলের সপ্তম আসরে ৪৪২ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ইমরুলের অবস্থান ষষ্ঠ। ১৩ খেলায় দুবার ডাবল ফিগারে (৫ ও ৬) পৌঁছতে পারেননি আর তিনবার যথাক্রমে ১০, ১২ ও ১৯ রানে আউট হয়েছেন। বাকি ৮ বারই ৩০ থেকে ৬০’র ঘরে পা রেখেছেন। চারটি হাফ সেঞ্চুরি আর চারবার অপরাজিতও ছিলেন।

সে তুলনায় নাজমুল শান্ত অনেক পেছনে। ১১ খেলায় একটি সেঞ্চুরি ও এক হাফসেঞ্চুরিতে ৩০৮ রান করে রান তোলায় ১৩ নম্বর। কাজে বোঝাই যাচ্ছে, শান্ত আসলে শেষ মুহূর্তের সংযোজন এবং এক্ষেত্রে নির্বাচকদের কিছু করারও নেই।

   আমাদের সকাল/ রানা

Share Button
সম্পাদক: রিনি জাহান
নির্বাহী সম্পাদক : মো. কাইছার নবী কল্লোল
যোগাযোগ : ১/এ, (২য় তলা), পুরানা পল্টন লেন, ঢাকা-১০০০
ফোন নম্বর : ০১৬২১০৩৫২৮৯, ০১৬৩৪৭৩১৩৪২
Email: amadarshokal24@gmail.com