এখন সময় :
,
PopularITLtd.com
মেনু |||

টাকার কাছে বারবার হেরে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট!

আমাদের সকাল ডেস্ক : মঙ্গলবার ‘বিনা মেঘে বজ্রপাতে’র মতো একটি ঘোষণা এলো, ২৬ বছর বয়সেই দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলকে বিদায় বলছেন ডোয়াইন অলিভার। হ্যাঁ, সেই অলিভার, যিনি কিনা গত সপ্তাহে পোর্ট এলিজাবেথে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টেও খেলেছেন।

 

দেশের হয়ে খেলার চেয়ে টাকা আর নিজের ভবিষ্যতের চিন্তাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে অলিভারের কাছে। এভাবেই টাকার কাছে বারবার হেরে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট। ক্রিকেটের দুর্দণ্ড প্রতাপশালী দলটি কি এমন শক্তির দাপটে ধীরে ধীরে তলানিতে গিয়ে ঠেকবে?

 

অলিভার গেছেন ইয়র্কশায়ারে, তিন বছরের চুক্তিতে। তার আগে ২০১৮ সালে কলপাক চুক্তিতে সারে আর কেন্টের হয়ে নাম লিখিয়েছেন মরনে মরকেল আর হেইনো কান।

 

তারও আগে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকা হারায় জাতীয় দলের দুই নির্ভরযোগ্য সদস্য-পেসার কাইল অ্যাবট আর ব্যাটসম্যান রিলি রুশোকে। তারা দুজনই চলে যান হ্যাম্পশায়ারে। ২০১৬ সালে এই যাত্রায় দেশকে অগ্রাহ্য করেছিলেন স্টিয়ান ফন জিল, সিমন হার্মার, হার্দিস ভিলজনের মতো ক্রিকেটাররা।

 

আর্থিক দিক বিবেচনায় কলপাকের চুক্তি বেশ লোভনীয়। জাতীয় দলের চেয়ে তো বেশিই। তবে সঙ্গে বড় একটা শর্তও জুড়ে দেয়া থাকে, ইংলিশ কাউন্টিতে এই চুক্তি করা খেলোয়াড়রা ওই সময়টায় দেশের হয়ে খেলতে পারবেন না।

 

কারও কারও চুক্তি হয় দুই-তিন বছরের, কারও তার বেশি। কিংবা চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আবারও নতুন চুক্তি হতে পারে। সেক্ষেত্রে খুব কম ক্রিকেটারেরই জাতীয় দলে আবার ফেরার সুযোগ হয়। উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখে অল্প বয়সেই দেশকে ‘না’ বলে দিতে কণ্ঠ কাঁপে না তাদের।

 

এভাবেই দিনের পর দিন এক এক একটি রত্ন হারিয়ে আফসোস করে বেড়াচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আবারও নতুন কাউকে ঘষেমেজে এই অবস্থানে আনতে হচ্ছে। তাতেই কি মিলছে স্বস্তি? নিয়ে যাবার জন্য কলপাক চুক্তি তো আছেই!

 

 

আমাদের সকাল/এসআর

Share Button
সম্পাদক: রিনি জাহান
নির্বাহী সম্পাদক : মো. কাইছার নবী কল্লোল
যোগাযোগ : ১/এ, (২য় তলা), পুরানা পল্টন লেন, ঢাকা-১০০০
ফোন নম্বর : ০১৬২১০৩৫২৮৯, ০১৬৩৪৭৩১৩৪২
Email: amadarshokal24@gmail.com